facebook pixel
chevron_right Politics
transparent
পার্টির প্রাথমিক সদস্যপদ ছাড়লেন বুদ্ধ
আর তিনি দলে থাকতে চান না। শেষ করে ফেলতে চান দলের সঙ্গে সব সম্পর্ক। তাই তিনি দলের সঙ্গে ছিন্ন করে ফেললেন এতদিনের সব সম্পর্ক। ছেড়ে দিলেন দলের প্রাথমিক সদস্যপদও। এমন একটি খবর সামনে আসতেই যথারীতি হইচই পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। সকলের মুখে এখন একটাই প্রশ্ন, কেন তিনি এমন করলেন? পার্টিই তাঁর এই প্রাথমিক সদস্যপদ ছাড়ার চিঠি গ্রহণ করল কেন? Advertisement - আরও পড়ুন: আইএল অ্যান্ড এফএস-কে অক্সিজেন দিল এনসিএলএটি-র স্থগিতাদেশ। কারণ, বুদ্ধ মানে বুদ্ধধন চাকমা মিজোরামের একজন হেভিওয়েট নেতা। তিনি সেখানকার কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রীও ছিলেন।
দলের হারের ভয়ে প্রচারে নারাজ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী
এক সময় তিনিই ছিলেন দলের মুখ। দু'বার মুখ্যমন্ত্রীর আসনেও বসেছেন তিনি। ক্ষমতা হারানোর সময়ও তিনি নির্বাচনী প্রচারে ঝড় তুলেছিলেন। কিন্তু রক্ষা করতে পারেননি গড়। সেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীই দলের হয়ে প্রচারে যেতে নারাজ। তিনি বলছেন, তিনি প্রচারে নামলে দল হেরে যেতে পারে। তাই তিনি কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ। সেই কারণেই তিনি নিজেকে নির্বাচনী প্রচার থেকে দূরে সরিয়ে রাখলেন। আরও পড়ুন: প্রথম রাউন্ডেই বিদায় সিন্ধুর, এগোলেন সাইনা - Advertisement - প্রাক্তন এই মুখ্যমন্ত্রীর নাম দ্বিগ্বিজয় সিং। মধ্যপ্রদেশে তিনি দু'বার কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
সপ্তমীতেই দলে নিজের উত্তরসূরী বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী
মহাসপ্তমীর সকালেই চমক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বেছে নিলেন দলে নিজের উত্তরসূরী। তাঁকে দলের সহ-সভাপতির পদও দিলেন। কড়া জবাব দিলেন ভারতীয় রাজনীতির পরিবারতন্ত্রকে। তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। সোমবার তিনি তাঁর দল সংযুক্ত জনতা দল বা জেডিইউ-এর সহ-সভাপতির নাম ঘোষণা করেছেন। মুখে না জানালেও তাঁর এই পদক্ষেপে স্পষ্ট যে, দলে তিনি তাঁর উত্তরসূরী বেছে নিলেন। Advertisement - আরও পড়ুন: 'প্রধানমন্ত্রী সুভাষচন্দ্রের' অবদান স্বীকার করতে ২১ অক্টোবর লালকেল্লায় মোদী বিহার সম্পর্কে যাঁরা ওয়াকিবহাল, তাঁর বলেন, একটা সময় বিহারের রাজনৈতিক সংস্কৃতিই ছিল গুন্ডারাজ।
পুজোর কলকাতায় ১০৫ বুক স্টল সিপিএমের!
পুজো প্যান্ডেলের বাইরে বামফ্রন্টের বুকস্টল। বাঁশের খুঁটি ও লাল-সাদা শালু কাপড়ে মোড়া প্যান্ডেলে বসে থাকা বিভিন্ন বয়সের কমরেডরা আগত দর্শনার্থীদের মার্কসীয় আদর্শে কিংবা গণআন্দোলন সম্পর্কিত বই বিক্রি করতে ব্যস্ত। তিন-চার দশক ধরে পরিচিত এই দৃশ্যেই অভ্যস্ত হয়েছে বাংলার শেষ কয়েকটি জেনারেশন। বামপন্থী রাজনীতিতে পাঠ, অধ্যায়ন, ইতিহাসের গুরুত্ব রক্ষায় দীর্ঘদিন ধরেই দায়িত্ব পালন করে আসছে পুজোর বুকস্টল। ক্ষমতা থেকে বহু দূরে থাকা বামনেতারা এখন প্রায়শই বলেন, গণআন্দোলনই বাঁচিয়ে রাখবে বামপন্থাকে। সেক্ষেত্রে পুজোর বুকস্টলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পুজোর পর ফের কংগ্রেসে রদবদলের সম্ভাবনা
পুজোর পরে কংগ্রেসের জেলা সভাপতি পদে বড়সড় রদবদল হতে পারে। কিছুদিন পরই দলের কার্যকরী সভাপতিদের জেলায় জেলায় যাওয়ার কথা। ফিরে এসে তাঁদের রিপোর্ট দেওয়ার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে প্রদেশ সভাপতি সোমেন মিত্র নিজেই জানিয়েছেন। সূত্রের খবর, এই রদবদলে অধীর চৌধুরীর ঘনিষ্ঠদের উপর কোপ পড়তে পারে। প্রদেশ সভাপতি হয়ে বেশ কয়েকটা জেলায় কো-অর্ডিনেটর নিযুক্ত করেছিলেন অধীর চৌধুরী। গত মঙ্গলবার নতুন প্রদেশ সভাপতি সোমেন মিত্র সেই কো-অর্ডিনেটর পদ বিলুপ্ত করে দিয়েছেন। ফলে পদ হারিয়েছেন অনেকে। আরও পড়ুন: চিনে সমলিঙ্গের মাধ্যমে বাচ্চার জম্ম দেওয়া সম্ভব হল।
মোদীর বিরুদ্ধে ভোটে লড়তে প্রস্তুত বিজেপির ঘরের 'শত্রু'
২০১৪ সালের পর থেকে ভারতীয় রাজনীতির জল গড়িয়েছে, ততই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরোধী হিসেবে সামনে এসেছেন শত্রুঘ্ন সিনহা। বিজেপির সাংসদ হয়েও 'বিহারীবাবু' প্রকাশ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনায় সরব হয়েছেন। এবার সেই বিরোধিতাই তিনি নিয়ে যেতে পারেন একেবারে চরম পর্যায়ে। তিনি সরাসরি নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে ভোটের লড়াইয়ে নেমে পড়তে পারেন। এই লড়াই অবশ্য তিনি নির্দল হিসেবে লড়বেন না। বরং তাঁকে মোদীর বিরুদ্ধে প্রার্থী করতে উঠেপড়ে লেগেছে সমাজবাদী পার্টি। সপার এক শীর্ষনেতার দাবি, বারাণসী থেকে তিনি সাইকেল চিহ্নে মোদীর বিরুদ্ধে ভোটে লড়বেন।
ভোটের ময়দানে বেকারত্বই মোদীর দলের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ
নভেম্বর-ডিসেম্বরে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। ফল প্রকাশ ১১ ডিসেম্বর। এই ভোটের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। সকলেরই ধারণা ২০১৯-এর লোকসভার ভোটের সেমিফাইনাল এই পাঁচ রাজ্যের ভোট। ফলে যে সমস্ত ইস্যুগুলি এবারের ভোটে প্রাধান্য পাবে, সেগুলিই নিয়েই আলোচনা হবে লোকসভা ভোটের প্রচারেও। বিজেপি এই নির্বাচনে খারাপ ফল করলে, এখনকার ইস্যুগুলিকেই কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা লোকসভায় প্রচারের হাতিয়ার করবে। আরও পড়ুন: হাওড়ায় পুজো উদ্বোধনে শাহরুখ খানের নায়িকা, দেখুন ছবি - Advertisement - আর এই ইস্যুগুলির অন্যতম বেকারত্বের সমস্যা। যা এবার মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলবে মনে করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রদেশে বিজেপির ক্ষমতায় ফেরার আভাস মিলল সমীক্ষায়
পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে এবার সেয়ানে-সেয়ানে লড়াই চলছে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে। লোকসভার আগে জয় ছিনিয়ে দু'পক্ষই মনোবল বাড়িয়ে রাখতে চাইছে। অন্যদিকে একাধিক সমীক্ষাও চলছে বিভিন্ন মাধ্যমে। সেখান থেকেই ইঙ্গিত মিলছে কেমন হতে পারে ওই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল। আরও পড়ুন: পোলট্রি ফার্মে ঢুকল ৮ফুট লম্বা ময়াল সাপ! তারপর. - Advertisement - বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া টিভি ও সিএনএক্স মিডিয়া প্রকাশ্যে আনল মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার নির্বাচন নিয়ে তাদের ওপিনিয়ন পোল। আর সেই সমীক্ষা নরেন্দ্র মোদীর হাসি চওড়া করছে।
প্রদেশ কংগ্রেসের তরুণ তুর্কিদের উপরই আস্থা রাখছেন রাহুল
তাই প্রদেশ কংগ্রেসে শুরু হয়েছে নতুন মুখ খোঁজার পালা। আর এই নতুন মুখগুলি অবশ্যই বয়সে তরুণ হবে। কারণ, তরুণ তুর্কিদের নিয়েই গোটা দেশে কামব্যাক করতে মরিয়া কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। সম্প্রতি পাঁচ রাজ্যে ঘোষণা হয়েছে বিধানসভার নির্বাচন। যে পাঁচ রাজ্যে ভোট হবে, তার মধ্যে একমাত্র মিজোরামেই কংগ্রেস ক্ষমতায় রয়েছে। সেখানেই আবার প্রার্থী বাছাইয়ে তরুণ নেতাদের গুরুত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কংগ্রেসের তরফে। আরও পড়ুন: দারভিটে মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা - Advertisement - মিজোরাম বিধানসভার ভোট আগামী ২৮ নভেম্বর। সেখানে আসন সংখ্যা ৪০।
বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন বাম সাংসদ
এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের জঙ্গলমহলে ভালো ফল করেছে বিজেপি। সেই ধারা অব্যাহত রেখে ফের জঙ্গলমহলে সাফল্যের মুখ দেখল নরেন্দ্র মোদীর দল। জঙ্গলমহলে আরও কিছুটা হলেও তারা বাড়িয়ে নিল নিজেদের শক্তি। জঙ্গলমহলের অন্যতম জেলা পুরুলিয়া। সেই জেলার হেভিওয়েট ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা নরহরি মাহাতোকে নিজেদের দিকে টেনে নিল বিজেপি। বৃহস্পতিবার কলকাতায় তিনি যোগদান করলেন মোদী ব্রিগেডে। আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে জুতো, গ্রেফতার এক।
রাজ্য দফতরের উদ্বোধন করেই প্রচার শুরু অমিত শাহের
পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। প্রচারও শুরু হয়েছে জোরকদমে। চার রাজ্যে ভোটের প্রচার শুরু করলেও এখনও মিজেরামে শুরু হয়নি বিজেপির প্রচার। এবার সেই প্রচারই শুরু হতে চলেছে। মিজোরামে ভোটগ্রহণ ২৮ নভেম্বর। তার আগে ১৭ অক্টোবর শুরু হবে বিজেপির প্রচার। তা শুরু করেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। জেভি হলুনা, মিজোরামে দলের সভাপতি একথা জানিয়েছেন। আরও পড়ুন: সাইক্লোনের দাপটে কাঁপছে বাংলা! পুজো তছনছ হওয়ার শঙ্কা - Advertisement - ওই রাজ্যে বিধানসভার আসন সংখ্যা ৪০। বিজেপি সেখানে একাই লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পাঁচ রাজ্যের ভোট বিজেপির চেয়ে রাহুলের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ
পুজোর মরশুম শেষ হলেই শুরু হবে গণতন্ত্রের উৎসব। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচনের আগে যা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে জাতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে। গো-বলয়ের তিন রাজ্য, দক্ষিণের একটি ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্যের বিধানসভা ভোটের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। হয়ে গিয়েছে দিন ঘোষণা। জাতীয় রাজনীতির প্রধান দুই শক্তি, বিজেপি ও কংগ্রেস মরিয়া হয়ে লড়াই শুরু করে দিয়েছে। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী শুরু করে দিয়েছেন প্রচার। পিছিয়ে নেই বিজেপির স্টার ক্যাম্পেনার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চলছে প্রতিশ্রুতি, পালটা প্রতিশ্রুতির বন্যা। অভিযোগ, পালটা অভিযোগের তিরও শানানো হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
অনুব্রতের গড়ে রথে চড়বেন অমিত শাহ
যদি সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক চলে, তবে ডিসেম্বরের ৭ তারিখ অনুব্রত মণ্ডলের গড় বীরভূম খেকে রথে চেপে বসবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের গড় খেকে বিজেপির রথযাত্রা কর্মসূচী অনেক আগেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল। তারাপীঠ থেকে এখন অমিত শাহের রথে চাপা সময়ের অপেক্ষা। আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশেও জারি থাকবে রাহুলের 'টেম্পল রান' - Advertisement - তবে রথে কোন কোন তারকাদের অধিষ্ঠান হবে, তা পরিষ্কার করা হয়নি।
'মমতার সরকার দুর্নীতিতে যুক্ত'
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যেসব আসনগুলি শাসকদল জিতেছে, সেগুলি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে বিজেপি। সোমবার দলীয় এক কর্মসূচিতে জলপাইগুড়ি এসে এ কথা জানালেন বিজেপির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা। শুধু তাই নয়, বুথ আটকে যেসব এলাকায় নির্বাচন হয়েছে সেগুলির ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রীর অভিযোগ, মমতার সরকার দুর্নীতিতে যুক্ত। রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কোনও মাথা ব্যথাই নেই। আরও পড়ুন: সোনারপুরের গোবিন্দপুরে এখনও মোতায়েন পুলিশ।
মঙ্গলবারই রাজ্যে রাহুল, জানালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি
বেজে গিয়েছে নির্বাচনের দামামা। তাই নির্বাচনী প্রচারের লড়াইয়ে একচুল জমিও ছাড়তে নারাজ কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। তাই মঙ্গলবার থেকেই তিনি রাজস্থানে শুরু করে দিচ্ছেন প্রচার। আরও পড়ুন: শহরের এই মণ্ডপ জুড়ে থাকবে দক্ষিণেশ্বরের আঞ্চলিক ইতিহাস। - Advertisement - আরও পড়ুন: নারী মুক্তির সংগ্রাম দেখাবে দমদম পার্ক যুবক বৃন্দ. । শনিবার রাজস্থান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শচীন পাইলট জানিয়েছেন সেকথা। তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার একাধিক সভায় উপস্থিত থাকবেন কংগ্রেস সুপ্রিমো। আরও পড়ুন: জীবিত স্ত্রী'দের পিণ্ডদান করলেন অত্যাচারে অতিষ্ট পুরুষেরা
ভোটের পরই জোট গঠন নিয়ে চূড়ান্ত ভাবনা কংগ্রেসের
নির্বাচনের পরেই জোট গঠন নিয়ে চূড়ান্ত ভাবনা চিন্তা করবে কংগ্রেস। কলকাতায় ঘোষণা দলের মুখপাত্র রণদীপ সিং সূর্যেওয়ালার। রাজনৈতির এই কৌশলের মাধ্যমে বিজেপি বিরোধী শিবিরের দলগুলিকে যেমন বার্তা দিল কংগ্রেস, তেমনই গুরুত্ব দেওয়া হল প্রদেশ নেতৃত্বকেও। জাতীয়স্তরে বিরোধী জোটের পাল্লা এখনও পোক্ত নয়। আসন ভাগাভাগি নিয়ে কথা শুরু হয়নি। তার আগে এই কথা বলে সম্ভাবনাময় জোট সঙ্গীদের সতর্ক করল কংগ্রেস। একই সঙ্গে বাংলায় দলের দোসর সিপিএমের রাজনৈতিক কৌশলকেও মান্যতা দিল শতাব্দী প্রাচীন দলটি। আরও পড়ুন: দমদমে মিছিল করল কংগ্রেস।
দমদমে মিছিল করল কংগ্রেস
শাসক দল সহ সিপিএম-বিজেপির মিছিল আটকে শুক্রবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল পুলিশ। 24 ঘন্টার মধ্যে রাজ্যের কোমরভাঙা কংগ্রেসের কাছে গোল খেল পুলিশ। নাগেরবাজার বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাস্থলে মিছিল করার পাশাপাশি দমদম থানায় স্বারকলিপি দিলো তারা। পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি থাকলেও শুক্রবার পুলিশের বাধায় নাগেরবাজারের ঘটনাস্থলে মিছিল করতে পারেনি সিপিএম-বিজেপি। কিন্তু শনিবার প্রায় দু হাজার কর্মী সমর্থককে নিয়ে মিছিল করল কংগ্রেস। নেতৃত্বে ছিলেন দলের বর্ষীয়ান নেতা অরুণাভ ঘোষ ও উত্তর 24 পরগনা জেলা সভাপতি তাপস মজুমদার।
ভোটের দিন ঘোষণার আগে মোদীকে বাড়তি সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ
পাঁচ রাজ্যে ভোটের দিন ঘোষণা হতে পারে আজ, শনিবার। নির্বাচন কমিশনের ডাকা সাংবাদিক বৈঠকের বিষয়টি সামনে আসতেই এ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। কিন্তু সেই সাংবাদিক বৈঠক ঘিরেই তৈরি হল বিতর্ক। ওই বিতর্ক উঠেছে সাংবাদিক বৈঠকের সময় বদলকে কেন্দ্র করে। কংগ্রেসের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বাড়তি সুবিধা দেওয়ার জন্যই নির্বাচন কমিশন সাংবাদিক বৈঠকের সময় বদলেছে। প্রসঙ্গত, শনিবার সকালে জানা গিয়েছিল নির্বাচন কমিশনের তরফে দুপুর সাড়ে বারোটায় সাংবাদিক বৈঠক করা হবে। কিন্তু পরে জানানো হয় ওই সাংবাদিক বৈঠকের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। দুপুর তিনটেয় হবে সাংবাদিক বৈঠক।
মহালয়ার দিন সারা বাংলায় রুটমার্চ করবে RSS
মহালয়ার দিন সারা বাংলায় রুটমার্চ করবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)। প্রায় ২০ হাজার সঙ্ঘ সদস্য এবং কর্মী সারা বাংলার পাড়ায়-পাড়ায় সোমবার রুটমার্চে অংশ নেবেন। দারিভিট উচ্চবিদ্যালয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে ছাত্র মৃত্যু, নাগেরবাজারে তৃণমূল কংগ্রেস পার্টি অফিসের নীচে বোমা বিস্ফোরণ এবং তার ফলস্বরূপ শিশু মৃত্যুর ঘটনার পর রাজ্য রাজনীতি রাতিমতো উত্তপ্ত। পুজোর আগেই শাসক-বিরোধীরা পরস্পরকে বাক্যবাণ প্রয়োগে ব্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে, বাংলার কোণায় কোণায় আরএসএসের রুটমার্চ নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে।
২০১৯-এ জগন্নাথধাম পুরীতেই প্রার্থী হতে পারেন মোদী
আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে কি নরেন্দ্র মোদীর জয়ের ধারা অব্যাহত থাকবে! এই প্রশ্নেই আপাতত তোলপাড় আসমুদ্রহিমাচল। বিরোধীরা আশাবাদী পাঁচ বছরেই নরেন্দ্র মোদীর প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড় শেষ করার ব্যাপারে। অন্যদিকে বিজেপির নেতৃত্বর আত্মবিশ্বাস অটুট। তাদের দাবি, 'আব কি বার, ফির সে মোদী সরকার৷' - Advertisement - আরও পড়ুন: কেরলবাসীকে ১ লক্ষ টাকার চেক অবসর প্রাপ্ত শিক্ষকদের। রাজনৈতিক এই দড়ি টানাটানি যখন চলছে, তখন সামনে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিজেপির একটি অংশের দাবি, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার জগন্নাথধাম থেকেই প্রার্থী হবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

Want to stay updated ?

x

Download our Android app and stay updated with the latest happenings!!!


90K+ people are using this