facebook pixel
chevron_right Politics
transparent
সায়ন্তন বসুর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু পুলিশের
বঙ্গ বিজেপি-র রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামালা রুজু করল বীরভূমের সিউড়ি থানার পুলিশ। ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার একটি দলীয় কর্মসূচি ঘিরে। ওই দিন বীরভূম জেলাশাসকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি নেতা-কর্মীরা। যার নেতৃত্বে ছিলেন সায়ন্তন বসু। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক শমীক ভট্টাচার্য৷ - Advertisement - আরও পড়ুন: 'বিজেপি দুর্নীতির প্রচার করলে মমতার সমর্থক বাড়বে' বঙ্গ বিজেপি-র এই নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি জেলাশসকের দফতরের সামনেই খোদ জেলাশাসককে খুনের হুমকি দিয়েছেন। শুক্রবার সায়ন্তন বসুর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
'কিষেণজিই ছিল মমতার সবচেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠ'
মাওবাদীদের সঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির আঁতাত নিয়ে প্রায় সরব হতে শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এবার মমতা ও মাওবাদীদের যোগসাজোশ নিয়ে পালটা সরব হলেন অধীর চৌধুরী। বৃহস্পতিবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বহরমপুরে বসে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কিষেণজির আঁতাতের অভিযোগ তুললেন। আরও পড়ুন: পরমাণু অস্ত্র ক্ষমতায় চিন-পাকিস্তানের থেকে পিছিয়ে ভারত। - Advertisement - বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদের দাবি, বাংলার মানুষ সব জানে। জঙ্গলমহল দখল করতে মাওবাদীদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মাওবাদীদের বাইকে চড়েই তিনি জঙ্গলমহলে প্রচার করতেন। কিষেণজি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠ ছিলেন।
যোগে নেই রাজ্য বিজেপির ডক্টরস-স্বাস্থ্য পরিষেবা সেল
স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের শিবিরে অংশগ্রহণ করেন। এ দিকে, আরও বেশি সংখ্যক মানুষ যাতে যোগ অনুশীলনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেন, তার জন্য প্রচেষ্টা জারি রেখেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। অথচ, এই দিবস পালনের জন্য পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ডক্টরস এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা সেলের তরফে কোনও কর্মসূচি রাখা হয়নি। এমনকি, রাজ্য বিজেপির তরফেও ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপনের জন্য কোনও কর্মসূচি নেই। স্বাভাবিক কারণেই, এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে চর্চা চলছে। কোনও কোনও মহলে প্রশ্নও উঠছে। যার জেরে দেখা দিয়েছে বিতর্ক।
নাম না করে কেষ্টকে এনকাউন্টারের হুমকি বিজেপির
তৃণমূল নেতাদের এনকাউন্টার করার হুঁশিয়ারি দিয়ে আগেই বিতর্কে জড়িয়েছেন দিলীপ ঘোষ। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই আরও একবার মাথাচাড়া দিল এনকাউন্টার বিতর্ক। তবে এবার আর বিজেপির রাজ্য সভাপতি একথা বলেননি। বলেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। বৃহস্পতিবার বীরভূমের সিউড়তে দাঁড়িয়ে তিনিও এনকাউন্টারের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। Advertisement - আরও পড়ুন: বাঁকুড়ায় পালিত হল যোগাদিবস। দিলীপ ঘোষ কোনও একজন তৃণমূল নেতার উদ্দেশ্যে একথা বলেননি। কিন্তু বীরভূমের জেলাশাসকের দফতরের সামনে দাঁড়িয়ে সায়ন্তন বসু এনকাউন্টার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলকে। তবে একবারও তিনি বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সভাপতির নাম মুখে আনেননি।
চাপ মুক্ত থাকতে যোগে অভ্যস্ত হবেন তৃণমূলের স্বাস্থ্যকর্মীরা
মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থেকে পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হবে সরকারি হাসপাতালে। আর, এই লক্ষ্য পূরণের জন্য, তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত স্বাস্থ্যকর্মীরা এ বার নিয়মিত যোগ অনুশীলন করবেন। সরকারি হাসপাতালে ক্রমে বেড়ে চলেছে রোগীর সংখ্যা। কলকাতার বাইরে রাজ্যের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং বিভিন্ন স্তরের হাসপাতালে যেমন রোগীর ভিড় ক্রমে বাড়ছে। তেমনই, কলকাতার বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং চিকিৎসা-শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রোগীর ভিড় তুলনায় আরও বেড়ে চলেছে। তবে, শুধুমাত্র রোগীর ভিড়ও নয়। Advertisement - তাঁদের সঙ্গে পরিজনরাও থাকেন।
বিজেপির 'অনুব্রত' দিলীপ ঘোষ
কলকাতা থেকে গ্রাম বাংলার কচিকাঁচারাও তাঁদের নাম এক বাক্য জানেন। কারণ, রাজনীতিতে দু'জন দু'মেরুর হলেও ভাষা ব্যবহারে কিংবা দু'জনের মধ্যে মিল রয়েছে ষোলো আনা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে বারবার প্রকাশ্য সভা থেকে দু'জনেই একাধিক বার হুমকি দিয়েছেন। তারপর, দলের অন্দরে প্রশংসাও কুড়িয়েছেন। পার্থক্য একটাই একজন দলের রাজ্য সভাপতি, অন্যজন দলের বীরভূম জেলা সভাপতি। হুমকি আর খারাপ ভাষা ব্যবহারে বিজেপির দিলীপ ঘোষ আর তৃণমূলের অনুব্রত মণ্ডল বাংলার রাজনীতিতে তাঁদের অবদান রেখেই চলেছেন।
এনকাউন্টার বিতর্কে দিলীপের বিরুদ্ধে এফআইআর
তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের বিরুদ্ধে এনকাউন্টারের হুমকি দিয়ে বিপাকে দিলীপ ঘোষ। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হল এফআইআর। জলপাইগুড়ির কোতয়ালি থানার পুলিশের তরফে এই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই অভিযোগ দায়ের হয়। ওই অভিযোগে বিজেপির আরও সাতজন নেতার নামও রয়েছে। Advertisement - আরও পড়ুন: তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে এন্টাকাউন্টার করার হুমকি দিলীপের। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার জলপাইগুড়িতে বিজেপির একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেখানে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল নেতারা যেভাবে গুন্ডামি করছে, তাদের পরিস্কার বলে দিচ্ছি, হয় জেল না হলে সোজা গুলি।
তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে এন্টাকাউন্টার করার হুমকি দিলীপের
ফের বিতর্কে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আবারও বেফাঁস মন্তব্য করে তিনি বিতর্কে জড়ালেন। এবার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের বিরুদ্ধে এনকাউন্টার করার হুমকি দিয়ে বসলেন তিনি। মঙ্গলবার জলপাইগুড়িতে দলের একটি কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সেখানেই তিনি এই বেফাঁস মন্তব্যটি করে ফেলেন। Advertisement - আরও পড়ুন: মমতাকে নিজের রাজ্য বাঁচানোর পরামর্শ রাহুলের। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল নেতারা যেভাবে গুন্ডামি করছে, তাদের পরিস্কার বলে দিচ্ছি, হয় জেল না হলে সোজা গুলি। বিজেপি করতে এলে মার দিয়ে আসবেন। তার পর দেখে নেব।
মমতাকে নিজের রাজ্য বাঁচানোর পরামর্শ রাহুলের
তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলব আগে নিজের রাজ্যকে বাঁচান। নিজের রাজ্যটাই চলে যাবে। দিল্লি থেকে বিজেপিকে উৎখাত করার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে।" পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়েও তিনি রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেছেন৷ বলেছেন, "যেখানে বন্দুকের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে মানুষকে নমিনেশন দিতে হয়। যেখানে গণনা কেন্দ্রে ঢুকে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী ও পুলিশ ঢুকে যেখানে জোর করে শংসাপত্র গ্রহণ করে। সেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে আখড়া ধরার কোনও কারণ নেই। মানুষের ভোটাধিকারের ব্যবস্থা থাকলে তৃণমূল সরকার আর থাকবে না। এখানে বিজেপি সরকার হবে। আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ মঞ্চে স্বচ্ছতার নজির সেনেগালের.।
'গণতন্ত্রে মমতা সবচেয়ে বড় ডাকাত'
কিন্তু সেই পরিবর্তনের নামে কী দেখলাম? চোর তাড়িয়ে ডাকাত আনলাম আমরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই ডাকাত। গণতন্ত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবচেয়ে বড় ডাকাত।" কেন তিনি একথা বলছেন, সেই ব্যাখ্যাও এদিন শোনা গিয়েছে মুকুল রায়ের গলায়৷ তিনি বলেছেন, "২০১৩-র পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১১ শতাংশ প্রার্থী ভোটে দাঁড়াতে পারেনি। ২০১৮ তে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৪ শতাংশে। ২০১১ সালে সিপিএমকে সরানোর উদ্দেশ্য ছিল রাজ্য থেকে চোরকে তাড়ানো হবে। এখন ডাকাতকে নিয়ে এলাম। রাজ্যে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো ডাকাত আর নেই।
তরুণ-তনয়ের কাছে প্রদেশ নেতৃত্বের মুখ পোড়াল ছাত্ররা
পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসকে চাঙ্গা করতে দিন দুয়েকের জন্য কলকাতায় রয়েছেন অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির (এআইসিসি) নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত গৌরব গগৈ। মঙ্গলবার অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ-এর ছেলের কাছে প্রদেশ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিল ছাত্র পরিষদের একটি বড় অংশ। রাহুল গান্ধীর দূতের কাছে দলের তরুণ প্রজন্মের এই অনুযোগ-অভিযোগ প্রদেশ কংগ্রেস নেতাদের মুখ পোড়াল বলেই মনে করছেন দলেরই একাংশ। বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রদেশ কংগ্রেস সংগঠনের ভিত পশ্চিমবঙ্গে আলগা হচ্ছে। এআইসিসি ইনচার্জ হিসাবে সেটা প্রথম সফরেই টের পেলেন গৌরব।
দলত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ করতেই শাস্তি পেলেন আবু তাহের
ঘনিষ্ঠ মহলে দল ছাড়ার কথা বলে শাস্তির মুখে পড়লেন নওদার কংগ্রেস বিধায়ক আবু তাহের খান। এতদিন তিনি মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন। তাঁকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দিল প্রদেশ কংগ্রেস। সোমবার বিকেলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর একটি চিঠি চলে যায় ওই জেলার আরেক কংগ্রেস নেতা তথা মুর্শিদাবাদের বিধায়ক আবু হেনার কাছে। তাঁকে অবিলম্বে মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে কাজ শুরু করতে বলা হয়েছে। Advertisement - প্রসঙ্গত, সোমবার সকাল থেকে নওদার কংগ্রেস বিধায়ক আবু তাহের খানের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।
তৃণমূলের মহাসভায় গ্রাম-পঞ্চায়েতে জয়ীরা ব্রাত্য
নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে থাকবেন না গ্রাম পঞ্চায়েতের জয়ী প্রার্থীরা। ২১ জু্নের ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন তৃণমূলের কোর কমিটি মেম্বার, সাংসদ-বিধায়ক থেকে জেলাস্তরের সমস্ত প্রার্থীরা। মূল বক্তা হিসেবে অবশ্যই থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওইদিন তিনি পঞ্চায়েত সহ অন্যান্য সাংগঠিক নির্দেশ দেবেন বলেও জানা গিয়েছে। তৃণমূল সূত্রের খবর, ওই বৈঠকই পরবর্তীকালে পঞ্চায়েতের চালিকা শক্তি হবে বলে বিশ্বাস করেন শীর্ষ নেতৃত্ব। Advertisement - কোর কমিটির বৈঠকে মূলত পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফল নিয়েই আলোচনা হবে। কিন্তু তবুও এই বৈঠকে ডাক পাননি গ্রাম-পঞ্চায়েত প্রার্থীরা।
বিজয়নের সঙ্গে মমতার সাক্ষাৎ, মুকুলের তোপ
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেরলের সিপিএম-মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়নের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন শনিবার। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন রাজ্য বিজেপি নেতা মুকুল রায়। টুইট করে মুকুল রায় জানান, তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেরলের সিপিআইএম মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়নের সঙ্গে তলে তলে সম্পর্ক রেখে চলেছেন। মুকুল লিখেছেন, তাঁর মনে পড়ছে রাজ্যে বাম জমানায় ৫৫ হাজার নিরীহ মানুষের প্রাণ গিয়েছে। ওই প্রত্যেকটি ঘটনাই রাজনৈতিক খুন। ২০১১ সাল অবধি ওই খুন চলেছে। মনে রাখতে হবে ওই ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। তাঁকে বিশ্বাস করে মানুষ ক্ষমতায় এনেছেন।
শীর্ষ নেতার পদই জানে না প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব
দলের শীর্ষ নেতা কি পদে রয়েছেন, তা জানেনই না প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বরা। কারও অভিযোগ নয়, সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচন পরবর্তী দলের সাংগঠনি পর্যালোচনা নিয়ে বিধানভবনে সোমবার থেকে শুরু হওয়া বৈঠকের ব্যানার থেকেই তা স্পষ্ট। বিধানভবনের সামনে ব্যানারে জ্বলজ্বল করছে গৌরব গগৈ-র নাম। আদতে তিনি সদ্য এআইসিসি-র ইনচার্জ পদে উন্নিত হয়েছেন। কিন্তু পোস্টারে তাঁর নামের পাশে এআইসিসি-র ইনচার্জের পাশাপাশি লেখা হয়েছে এআইসিসি-র জেনারেল সেক্রেটারি। স্বভাবতই, প্রশ্ন উঠছে- দলের নেতা কি পদে রয়েছেন, সেটাই যদি না জানেন তাহলে প্রদেশ নেতৃত্ব দলকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন কিভাবে।
বাংলায় কংগ্রেসের দায়িত্ব পেতে পারেন প্রণব পুত্র অভিজিৎ
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বাংলায় কংগ্রেসের নেতৃত্ব দিতে চলেছেন প্রণব-পুত্র অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই নতুন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নাম ঘোষণা করা হবে। যদিও, গোটা বিষয়টি নিয়ে আপাতত মুখে কুলুপ এঁটেছেন প্রণব-পুত্র। কয়েকটি রাজ্যের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদের মেয়াদ শেষ হয়েছে। সূত্রের খবর, এতদিন পঞ্চায়েত ভোট ও রমজানের জন্য এই রাজ্যে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নাম ঘোষণা আটকে থাকলেও, দু-তিনদিনের মধ্যেই সেই কাজ সেরে ফেলতে চাইছে দলের হাইকম্যান্ড। Advertisement - বাংলার একাধিক কংগ্রেস নেতাদের দাবি, অধীররঞ্জন চৌধুরীর সভাপতির পদ থেকে অপসারণ সময়ের অপেক্ষামাত্র।
মমতা কি ছবি আঁকেন না? ছবির খদ্দের কই? প্রচারে প্রশ্ন করবেন মুকুল
লড়াইটা শুরু হয়েছিল অনেক আগেই। গত বছর নভেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে রাজ্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায়। প্রতিশ্রতি দিয়েছিলেন একদিন মমতার 'হাটে হাড়ি'ভেঙে দেবেন। ধীরে ধীরে খাপ খুলতে শুরু করেছেন মুকুল। এক সময়ে তৃণমূলের দুই নম্বর মুকুল রায় প্রথমে'টার্গেট'করেছিলেন পার্টির এখনকার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড, মুখ্যমন্ত্রী ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। রাজ্যের ব্র্যান্ড 'বিশ্ব বাংলা'নাকি অভিষেকের ব্যক্তিগত সম্পত্তি। মামলা বা পালটা মামলায় পর স্থির হয়, বিশ্ব বাংলার মালিক রাজ্য সরকার। তবে মুকুল-অভিষেকের মধ্যে আইনের লড়াই এখনও মেটেনি। Advertisement - মুকুলের পরবর্তী টার্গেট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
যোগদানের আগেই তৃণমূলের সন্ত্রাস নিয়ে বিস্ফোরক কংগ্রেস বিধায়ক
তিনি এখনও সরকারিভাবে মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের সভাপতি। হাত চিহ্ন নিয়ে লড়ে নওদা থেকে জেতা বিধায়ক। তিনি আবু তাহের খান। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তিনি নাকি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর সঙ্গ ত্যাগ করতে চান। আর হয়ে উঠতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের শরিক। Advertisement - প্রকাশ্যে এসব নিয়ে মুখ না খুললেও আবু তাহের খান ঘনিষ্ঠমহলে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছেন। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, সেকথাও অনুগামীদের সামনে ব্যক্ত করেছেন। আর তা করতে গিয়েই করে ফেলেছেন একের পর এক বেঁফাস মন্তব্য।
সোমবারই প্রথম বিধান ভবনে আসছেন গৌরব
কলকাতায় আসছেন কংগ্রেসের এআইসিসির ইনচার্জ গৌরব গগৈ। সোমবারই প্রথমবার বিধান ভবনে আসবেন তিনি। তাঁর হাত ধরেই কংগ্রেস ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর বৈঠকে বসার কথা এদিন। সি পি জোশীকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় আনা হয়েছে অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈয়ের পুত্র গৌরব গগৈকে। পশ্চিমবঙ্গ এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, এই দু'টি রাজ্যের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁকে। কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুল গান্ধী দলের সভাপতি হওয়ার পর থেকেই গৌরব গগৈ তাঁর কোর কমিটিতে রয়েছেন।

Want to stay updated ?

x

Download our Android app and stay updated with the latest happenings!!!


90K+ people are using this