facebook pixel
chevron_right Science
transparent
স্মার্টফোনকেই মাইক্রোস্কোপ বানিয়ে ফেলল খুদে পড়ুয়ারা
এ বার থেকে বাড়িতে বসেই ম্যালেরিয়া এবং ফাইলেরিয়ার মতো রোগজীবাণুর হদিস পাওয়া যাবে। অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই হাতের মুঠোয় চলে আসছে জলজ্যান্ত এক অণুবীক্ষণ যন্ত্র। আসলে খুদে ছাত্রদের তৈরি এটি। যন্ত্রটির নাম 'স্মার্টফোন মাইক্রোস্কোপি'। স্মার্টফোনেই রোগজীবাণুর হদিস দিয়ে নজর কেড়েছে বসিরহাট হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির দুই ছাত্র আত্রেয় মণ্ডল এবং নীপতনু নাথ। সম্প্রতি হয়ে গেল জেলা ছাত্র-যুব বিজ্ঞান প্রদর্শনী। সেখানে আত্রেয় এবং নীপতনু মিলে এই মডেলের জন্য প্রথম পুরস্কারও পেয়েছে। 'আমার হাতে আমার বিজ্ঞান' শিরোনামে তারা মানুষের কাছে তুলে ধরছে তাদের মডেল। মডেলটি দর্শকদের কাছে প্রশংসিতও।
তাকিয়ে না-দেখলে আকাশে চাঁদটাও নেই!
তুলেছিলেন স্বয়ং আলবার্ট আইনস্টাইন। তাঁর বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থের ('সাটল ইজ দ্য লর্ড') শুরুতেই লেখক আব্রাহাম পায়াস জানিয়েছেন ঘটনাটা। মহাবিজ্ঞানী তখন প্রিন্সটনের ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড স্টাডি-তে গবেষণারত। এক দিন ইনস্টিটিউট থেকে হেঁটে ফিরছেন আইনস্টাইন ও পায়াস। হঠাৎ থমকে দাঁড়ালেন আইনস্টাইন। পায়াসকে জিজ্ঞাসা করলেন, "তুমিও কি বিশ্বাস কর যে, তাকিয়ে না-দেখলে আকাশে চাঁদটা নেই?" প্রশ্ন শুনে পায়াস থ। কথা হচ্ছিল বিজ্ঞানের অদ্ভুতুড়ে তত্ত্ব কোয়ান্টাম থিয়োরি নিয়ে। যে তত্ত্বের দাবি: শনাক্ত না-হলে কোনও একটা কণার অস্তিত্ব নেই। এ হেন তত্ত্ব কি মানা যায়? নাহ্, তা মানেন না আইনস্টাইন।
মানুষ এড়াতে বদলে যাচ্ছে বন্য জীবন!
সভ্যতার কোপ পড়েছে জঙ্গলে। মানুষের উপদ্রবে রীতিমতো বিরক্ত জঙ্গলের বাসিন্দারা তাই মানুষকে এড়িয়ে চলতে বদলে ফেলছে খাওয়া-ঘুমের সময়। বদলে যাচ্ছে তাদের শিকারও। এমনটাই দাবি করা হয়েছে 'সায়েন্স' পত্রিকায় প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে। তাতে বলা হয়েছে, হাতি, বাঘ কিংবা বুনো কুকুরের মতো প্রাণীদের রোজকার রুটিনে বদল দেখা যাচ্ছে গোটা বিশ্বেই। তারা দিনের বেলায় ঘুমোচ্ছে এবং আরও বেশি করে নিশাচর হয়ে উঠছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এর একমাত্র কারণ- মানুষ।
মঙ্গলে ধুলোর ঝড়,বিপদে 'অপরচুনিটি'
ধুলোঝড়ে ঢেকে গিয়েছে লালগ্রহ। বিপদে নাসার মঙ্গলযান 'অপরচুনিটি'। অমঙ্গলজনক কিছু না হয়ে যায়, চিন্তায় বিজ্ঞানীরা। গত ১৫ বছর ধরে লালগ্রহে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে অপরচুনিটি। তার ঘুরে দেখা হয়ে গিয়েছে গ্রহের এক-চতুর্থাংশ। বিজ্ঞানীদের আশা, আরও বেশ কিছু দিন কাজ চালিয়ে যেতে পারবে সে। কিন্তু ঝড় কবে থামবে, কবে সূর্যের আলো গ্রহের মাটি ছোঁবে, অপরচুনিটির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে তার উপর। কারণ, সৌরশক্তিতে চলে অপরচুনিটি। ধুলোঝড়ে ঢেকে গিয়েছে আকাশ। মঙ্গলযানের সোলার প্যানেলে সূর্যের আলো পৌঁচ্ছছে না। ফলে নিস্তেজ হয়ে পড়েছে যান। দুর্যোগ কাটতে সপ্তাহ, এমনকি মাসও ঘুরে যাবে।
ব্ল্যাক হোলে যাচ্ছে হকিংয়ের কণ্ঠস্বর
যেতে চেয়েছিলেন মহাকাশে, পারেননি। তাঁর প্রিয়তম মহাজাগতিক বস্তু কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোলে যাচ্ছে তাঁর ফেলে যাওয়া সেই ব্যারিটোন কণ্ঠস্বর। 'আমি স্টিফেন হকিং বলছি. '। সঙ্গে পাঠানো হচ্ছে আরও বিশেষ কিছু বার্তা। তা রওনা হচ্ছে আজ, শুক্রবারই। বিশ ও একুশ শতকে আধুনিক বিজ্ঞানের 'ঈশ্বর'-এর কৃত্রিম গলার স্বর থেকে যাবে এই ব্রহ্মাণ্ডে আমাদের ঠিকানা 'মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সি'রই একটি ব্ল্যাক হোলের অন্তরে-অন্দরে। কিন্তু ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি তো যাওয়া যায় না। মহাকাশযান বা কারও পক্ষেই তা সম্ভব নয়।
হোয়াট্‌সঅ্যাপকে টেক্কা দিতে মাঠে নামছে গুগল!
মোবাইল থেকে তো মেসেজ করেন। কিন্তু বাড়ির কম্পিউটারে কাজ করার সময় যদি ব্রাউজারের মাধ্যমেই মেসেজ করা যায়, তবে কেমন হয়! ভবিষ্যতে এমনটাই সুবিধা পেতে পারেন নেট ব্যবহারকারীরা। হোয়াট্‌সঅ্যাপের রমরমার বাজারে থাবা বসাতেই কি এমন পরিকল্পনা? গুগলের ব্রাউজার ক্রোম থেকেই এসএমএস করার সুবিধা রয়েছে। তবে'অ্যান্ড্রয়েড মেসেজেস' নামের ওই মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনটি নেটিজেনদের কাছে খুব একটা জনপ্রিয় হয়নি। এ বার ওই অ্যাপ্লিকেশনই ঢেলে সাজানোর কথা ভাবনা-চিন্তা করছে গুগল। যদিও এ নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি গুগল কর্তৃপক্ষ। গোটাটাই রয়েছে প্রকল্পের স্তরে।এবং এর কাজও চলছে অত্যন্ত গোপনে।
কিউরিওসিটির পাঠানো খবরে আরও জোরদার প্রাণ-রহস্য
ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল আগেই। পড়শি গ্রহের মাটিতে প্রাণের রসদ থাকার আরও জোরদার প্রমাণ মিলল এ বার। মঙ্গলের মাটিতে একগুচ্ছ জৈবযৌগের খোঁজ পেয়েছে নাসার পাঠানো মঙ্গলযান 'কিউরিওসিটি রোভার'। প্রাণের সঞ্চারের ক্ষেত্রে সেগুলির উপস্থিতি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ, দাবি নাসার বিজ্ঞানীদের। সেই সঙ্গে আরও একটি বিষয় নজর কেড়েছে তাঁদের। লালগ্রহের বায়ুস্তরে মিথেনের মাত্রা কখনও বাড়ে, কখনও কমে। দু'টি বিষয়ই 'মিস কৌতূহল'-এর নজরবন্দি হয়েছে মঙ্গলের পাথুরে এলাকা 'গেল ক্রেটার'-এ।
৬০০ আলোকবর্ষ দূরের গ্রহ আবিষ্কার বাঙালির হাত ধরে
সৌরমণ্ডলের বাইরে আরও একটি গ্রহের খোঁজ মিলল। সেই আবিষ্কার ঘটল এক বাঙালির নেতৃত্বে একদল ভারতীয় বিজ্ঞানীর হাত ধরে। আমাদের থেকে ৬০০ আলোকবর্ষ দূরের এক তারা বা নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে ওই গ্রহটি। আমাদের সৌরজগতের বাইরে থাকা গ্রহগুলিকে বলা হয় 'এক্সোপ্ল্যানেট'। ইসরো বা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা-র অধীনস্থ আমদাবাদের ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীদের এই আবিষ্কার, ভারতীয় মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক ঘটনা। কারণ, এই প্রথম কোনও ভারতীয় সংস্থার হাত ধরে কোনও এক্সোপ্ল্যানেট আবিষ্কৃত হল।
আন্টার্কটিকায় বরফের নীচে রয়েছে আস্ত একটা পর্বতশ্রেণী!
রহস্যে মোড়া একটা মহাদেশ। তবে আকারে তেমন বড় নয়। মোটামুটি হিসেব করে বলা যায়, অস্ট্রেলিয়ার দ্বিগুণ। যার বেশির ভাগটাই বরফের চাদরে ঢাকা। কী আছে সেই চাদরের নীচে? সাম্প্রতিক আবিষ্কারের ভিত্তিতে ব্রিটেনের এক দল গবেষক জানিয়েছেন, পশ্চিম আন্টার্কটিকার বিস্তীর্ণ বরফস্তরের নীচে রয়েছে আস্ত একটা পর্বতশ্রেণি। যেন সারি দিয়ে রয়েছে মগ্নমৈনাকেরা। তাদের মাঝে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছে কয়েকশো মাইল ছড়ানো তিনটি উপত্যকাও। এই অনুসন্ধান নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে 'জিয়োফিজ়িক্যাল রিসার্চ লেটার্স' পত্রিকায়। কত দিন চলছে এই লুকোচুরি? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বরফ-তল্লাশি চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।
লালগ্রহে 'প্যাক-ম্যান' ক্রেটার!
লালগ্রহ মঙ্গল মানেই একটা রহস্যজনক ব্যাপার। প্রতি মুহূর্তে সেই রহস্য উন্মোচনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে নাসা। এ বছরের মার্চের মাঝামাঝি মঙ্গলে 'অদ্ভুত' এক বিশালাকার গর্ত বা ক্রেটারের সন্ধান পেয়েছে নাসার মার্স অরবিটার। সেই ছবিই সম্প্রতি শেয়ার করেছে নাসা এবং অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাইরাইজ টিম। ঠিক কেমন দেখতে ওই গর্তটি? বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আর চার-পাঁচটা সাধারণ গর্তের মতো দেখতে নয় এটি। ৮০-র দশকের বিখ্যাত ভিডিও গেম প্যাক ম্যান-এর আকৃতি যেমন, এটাও অনেকটা দেখতে তেমনই।
ভগবান থেকে ভিন্‌গ্রহী, বড় প্রশ্নের ছোট উত্তর
সেগুলি নিয়ে তাঁর শেষ বইটি প্রকাশিত হবে আগামী অক্টোবরে। মহাবিশ্বের জন্ম, কৃষ্ণগহ্বর থেকে শুরু করে মহাকাশে উপনিবেশ গড়া, মানুষের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধি কিংবা ভিন্‌ গ্রহের প্রাণীদের বোধ, এমনকি ঈশ্বরের অস্তিত্ব- কী থাকছে না তাতে। তবে নামেই প্রমাণ, থাকবে সব, তবে সবিস্তার নয়। স্টিফেন হকিং এস্টেট বুধবার এই ঘোষণা করেছে। বইটির নাম, 'ব্রিফ অ্যানসারস টু বিগ কোয়েশ্চেনস'। চারটি প্রশ্নে ভাগ করা হচ্ছে বিষয়বস্তু। আমরা কি বেঁচে থাকব? প্রযুক্তি আমাদের রক্ষা করবে নাকি ধ্বংস? আমরা কি উন্নতি করব? বইটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল গত মার্চে।
ওডিশায় পৃথিবীর প্রাচীনতম খনিজ, সাক্ষাত্কারে আবিষ্কর্তা বাঙালি বিজ্ঞানী
পূর্ব ভারতে আগ্নেয়শিলার মধ্যে পৃথিবীর প্রাচীনতম খনিজ 'জ়ারকন'-এর খোঁজ পেলেন দুই বাঙালি ভূবিজ্ঞানী, মালয়েশিয়ার কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্বের শিক্ষক, রজত মজুমদার ও তাঁরই ছাত্রী সিএসআইআর-এর গবেষক ত্রিস্রোতা চৌধুরী। গত ৪ মে 'নেচার' পত্রিকার প্রবন্ধে ওই গবেষণার কথা প্রকাশিত হওয়ার পরই আলোড়ন শুরু হয়েছে বিশ্ব জুড়ে।
মহাকাশ যুগে পা রাখল বাংলাদেশ
প্রথম বাণিজ্যিক কৃত্রিম উপগ্রহ 'বঙ্গবন্ধু-১'-এ সফল উৎক্ষেপণ করল বাংলাদেশ সরকার। কাল স্থানীয় সময় দুপুর দু'টো নাগাদ আমেরিকার ফ্লরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের '৩৯-এ' লঞ্চ প্যাড থেকে 'বঙ্গবন্ধু-১'-কে নিয়ে মহাকাশের পথে রওনা হয় ফ্যালকন -৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ। ১৯৬৯ সালে কেনেডি স্পেস সেন্টারের এই লঞ্চ প্যাড থেকেই চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে 'অ্যাপোলো-১১'। প্রথম বার মানুষ পৌঁছেছিল চাঁদে। উপগ্রহের সফল উৎক্ষেপণের পরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা স্যাটেলাইট ক্লাবের গর্বিত সদস্য হলাম। প্রবেশ করলাম নতুন যুগে।
এ বার মঙ্গলেও উড়বে হেলিকপ্টার!
নয় 'লাল গ্রহ' মঙ্গলের মাটিতে নামা কোনও 'ল্যান্ডার' বা 'রোভার' মহাকাশযানও। মঙ্গলের আকাশে এ বার চক্কর মারবে হেলিকপ্টার! পৃথিবীতে যতটা উচ্চতা পর্যন্ত উঠতে পারে হেলিকপ্টার, মঙ্গলে তার আড়াই গুণ বেশি উচ্চতায় পৌঁছে যেতে পারবে সেই হেলিকপ্টার। যার নাম দেওয়া হয়েছে, 'মার্সকপ্টার'। পাসাডেনায় নাসার জেট প্রোপালসন ল্যাবরেটরি থেকে জানানো হয়েছে, ওই হেলিকপ্টার (উপগ্রহ প্রযুক্তির পরিভাষায় যাকে বলা হয়, 'রোটরক্র্যাফ্ট') মঙ্গলের উদ্দেশে রওনা হবে আর দু'বছর পর, ২০২০ সালে।
শিশু চুরি করে ক্রীতদাস বানাতে ওস্তাদ ভারতীয় পিঁপড়েরা!
আর বলবেন না, আমাদের চেয়ে কোনও অংশে কম যায় না কালো পিঁপড়েরা! আকছারই শিশু চুরি করে তারা। শিশু চুরিতে আমাদের সঙ্গে রীতিমতো টক্কর দিতে পারে এই 'পনেরিন' গোত্রের কালো পিঁপড়েরাও! কলকাতার মতো শহর এলাকাগুলিতে আমরা যে কালো পিঁপড়েদের দেখি, এরা আসলে তাদের 'তুতো ভাই'। কালো পিঁপড়েই, তবে চেহারায় একটু বড়। শহরে থাকলেও, ভারতে গ্রামাঞ্চলেই এদের হদিশ মেলে বেশি। এদের বৈজ্ঞানিক নাম- 'ডায়াকামা ইন্ডিকাম'।
শুক্রাণু-ডিম্বাণু ছাড়াই পরীক্ষাগারে তৈরি হল ভ্রূণ!
শুক্রাণু নেই, ডিম্বাণুও নেই। তা সত্ত্বেও তৈরি হয়ে গিয়েছে ভ্রূণের প্রাথমিক চেহারা। ইঁদুরের শরীর থেকে দু'ধরনের স্টেম সেল সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারের পাত্রে এই কাণ্ডটি ঘটিয়েছেন নেদারল্যান্ডসের মাস্ত্রিচ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। পুরোপুরি সফল হয়নি গবেষণা। কিন্তু বিজ্ঞানীরা আশাবাদী, ভবিষ্যতে সাফল্য এলে বিভিন্ন ওষুধ পরীক্ষার কাজটি আরও মসৃণ ভাবে করা যাবে। বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও একটা দিক খুলে যেতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, সব ঠিকঠাক চললে এই পথেই আগামী বছর তিনেকের মধ্যে ইঁদুরের পূর্ণাঙ্গ ভ্রূণ তৈরি করা হয়তো সম্ভব। ফের উঠছে পুরনো প্রশ্নটা।
গোগ্রাসে প্লাস্টিক খেয়ে ফেলছে এই এনজাইম!
গোগ্রাসে প্লাস্টিক খেয়ে ফেলছে এনজাইম বা উৎসেচক! কোনও প্লাস্টিক বর্জ্যকেই পড়ে থাকতে দিচ্ছে না। সব প্লাস্টিকই চলে যাচ্ছে সেই 'প্লাস্টিক-খেকো' এনজাইমের পেটে! এর আগে পাকিস্তানে আবর্জনার স্তূপে হদিশ মিলেছিল প্লাস্টিক-খেকো একটি বিশেষ প্রজাতির ছত্রাকের। কোনও কল্পকাহিনী নয়, সায়েন্স ফিকশনও নয়। হালে সেই 'প্লাস্টিক-খেকো' এনজাইমের হদিশ পেয়েছেন ব্রিটেন ও আমেরিকার এক গবেষকদল। তা হলে কি প্লাস্টিক বর্জ্যের দূষণ নিয়ে আমাদের উদ্বেগের দিন এ বার সত্যি-সত্যিই শেষ হতে চলেছে? উত্তরটা এখনও অজানা থাকলেও, সেই সম্ভাবনা যে একেবারে অসম্ভব নয়, এ বার তারই দিশা দেখালেন গবেষকরা।
উত্তর মেরু সাগরে রহস্যজনক তিন বৃত্ত
উত্তর মেরুর বরফ ঠান্ডা সমুদ্রের জলে অমন বৃত্ত আগে কারও চোখে পড়েনি। দশ বছর হয়ে গেল নাসার 'অপারেশন আইসব্রিজ'-এর। নাসা এই অভিযান শুরুই করেছিল উত্তর মেরুর প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোর একটি মানচিত্র তৈরি করতে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বরফ ঠান্ডা সমুদ্র ও স্থলভাগের কী কী পরিবর্তন ঘটছে, তা-ই নজরে রাখা এই অভিযানের উদ্দেশ্য। এ বারেও 'অপারেশন আইসব্রিজ' শুরু হয়েছে। গত ১৪ এপ্রিল উত্তর মেরুর পূর্ব বিউফোর্ট সমুদ্রের উপর দিয়ে নাসার বিমান উড়ে যাওয়ার সময়, বিজ্ঞানী জন সনট্যাগ লক্ষ করেন, বরফের উপর অদ্ভূতদর্শন কিছু একটা রয়েছে।
বিপাকে গবেষকেরা, ভুগছে বিজ্ঞানচর্চাও
প্রশ্নটা অনেকেই তুলছেন, কলকাতায় শনিবার বিজ্ঞান পদযাত্রার পরে। বিজ্ঞানে কি বাঙালির আগ্রহ কমছে? গবেষকদের একাংশের দাবি, বিজ্ঞানে আগ্রহ কমেনি, গবেষকদের জন্য সহায়তা কমেছে। তাই অনেকেই বিজ্ঞান নিয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পাঠে আগ্রহী নন। বিজ্ঞান পড়ার আগ্রহ কমছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। গত বছর এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, "স্কুল থেকে উচ্চশিক্ষা, সব স্তরে বিজ্ঞান পড়ার আগ্রহ কমছে।" শিক্ষকদের একাংশেরও মত, আগের মতো মেধাবী পড়ুয়াদের একটা বড় অংশ এখন পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, অঙ্ক বা জীববিদ্যা পড়ে না। বেশির ভাগেরই ঝোঁক ইঞ্জিনিয়ারিং বা ডাক্তারিতে।

Want to stay updated ?

x

Download our Android app and stay updated with the latest happenings!!!


90K+ people are using this