facebook pixel
chevron_right Science
transparent
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে কতটা গরমিল, আঁচ করা যাবে আগেই? অঙ্কে ইঙ্গিত অগ্নিজের
আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়ে এক সময় খুব হাসাহাসি হত। বলা হত, আলিপুরের আবহাওয়া দফতর যদি বলে বৃষ্টি হবে, তা হলে পরের দিনটা হয় শুকনো খটখটে! যদি বলে, কালকের তাপমাত্রা বাড়বে, আকাশে মেঘের ছিটেফোঁটাও থাকবে না, তা হলে পরের দিনটা ধুয়ে যাবে বৃষ্টিতে। কোথাও কোথাও রাস্তাঘাট ডুবে যাবে হাঁটু-সমান জলে! এটা অবশ্য তিন-চার দশক আগেকার কথা। আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াচ্ছি।
হকিংয়ের গবেষণায় কৃষ্ণগহ্বরের ইতিহাস
মৃত্যুর কয়েক দিন আগেই গবেষণার কাজ শেষ হয়েছিল। স্টিফেন হকিংয়ের সেই অপ্রকাশিত শেষ গবেষণাপত্রটি তাঁর সহকর্মীদের উদ্যোগে ছাপা হল 'এআরএক্সআইভি' নামে একটি প্রি-প্রিন্ট জার্নালে। গত মার্চ মাসে মারা গিয়েছেন হকিং। কৃষ্ণগহ্বরের রহস্য নিয়ে তাঁর গবেষণা দীর্ঘ। তাঁর তৃতীয় এই গবেষণাপত্রটিতে রয়েছে ব্ল্যাকহোল তথা কৃষ্ণগহ্বরের রহস্য নিয়ে নয়া ধারণা। যদিও বিজ্ঞানীদের একাংশের দাবি, হকিংয়ের এই তত্ত্ব 'কোয়ান্টাম মেকানিকস'-এর নীতি ভঙ্গ করছে। তারায় তারায় সংঘর্ষ হলে তৈরি হয় কৃষ্ণগহ্বর। জ্যোতির্পদার্থবিদ্যার ক্লাসিক্যাল তত্ত্ব বলে, কৃষ্ণগহ্বরের মহাকর্ষ বল এতই শক্তিশালী যে সেই টান ফাঁকি দেওয়ার উপায় নেই কারও।
থিম বা প্রতিমায় নয়, পুজো এবার স্মার্টফোনে
দুর্গাপুজো এমন একটা উৎসব, যা প্রত্যেক বাঙালির জীবনে অপরিহার্যই বটে। এই পুজোয় নিজেকে সামিল করার নেশায় গোটা বাঙালি জাতি অপেক্ষা করে থাকে সারাটা বছর ধরে। আর প্রধান উৎসব বলে কথা! তাই থিম থেকে প্রতিমা, লাইটিং থেকে প্যান্ডেল, সব কিছু মিলিয়ে প্রতি বছরই থাকে কিছু না কিছু চমক। পুজোকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায় নানান ধ্যান-ধারণা, কলা-কৌশল, যা অবলম্বন করে নিজের নিয়মেই সময়ের সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে বয়ে চলে এই উৎসবের আখ্যান।
৩৬০ ডিগ্রি ভিউ! শহরে এবার অন্য পুজো
পুজো আসে, পুজো যায়। সঙ্গে ওতঃপ্রত ভাবে জড়িয়ে থাকে বাঙালির আবেগ, অনুভূতি, ভালোবাসা। কিন্তু যে প্রশ্নটা থেকেই যায় তা হল - আমরা, বাঙালিরা দুর্গাপুজোর বিষয়ে কেন এতটা মাত্রায় কল্পনাপ্রবণ? এই প্রশ্নটা বিশেষ করে অবাঙালিদের কাছ থেকে বার বার ধেয়ে আসে। অথচ সবসময় উত্তর সেই একই থাকে - পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উৎসব হতে গেলে যে যে বৈশিষ্ট্য থাকা দরকার, দুর্গাপুজোয় সেই সবকটিই আছে। বরং অনেক বেশি আছে।
বিদেশে বসেও এ বার পাড়ার দুর্গা পুজোর আনন্দ! কী ভাবে?
বাঙালির কাছে দুর্গা পুজো এমন একটা উৎসব যা কোনওভাবে ভুল করেও মিস্ করা যায় না। প্রত্যেক বছর নতুন করে, নতুন ভাবে উদযাপন করা হয় পুজোর। বছর বাড়লেও কলকাতার পুজো কিন্তু সেই নবীনই থাকে। আর সেই পুজোয় শহর ছেড়ে বাইরে ঘুরতে যাওয়া মানেই বছরের সব থেকে ভাল সময়টাকে মিস্ করা। বদলে গিয়েছে জীবনযাত্রার ধরনও। নানা কারণে শহর ছেড়ে বাঙালি পা রেখেছে ভিনদেশে, ভিনরাজ্যে। আবার, হালফিলের যা ব্যস্ত রুটিন, তাতে অফিস থেকে কোনও এক্সট্রা ছুটি ম্যানেজ করাটা খুবই দুষ্কর হয়ে প়ড়ে।
নেট ব্যাঙ্কিং এ বার নিরাপদ হবে? দিশা দেখালেন বঙ্গতনয়া
আর শুধুই একে অন্যের কথা বলাবলি বা মন চালাচালি নয়! একই সঙ্গে অনেকের মধ্যে 'বাতচিত' হবে এ বার। হবে অনেক বেশি তথ্যের দেওয়া-নেওয়া। অনেক বেশি দ্রুত গতিতে। বহু দিনের জমাট বাঁধা অন্ধকারে আলো ফেললেন অদিতি। ভিটেমাটি, পরিজন ছেড়ে দূরে থেকে দূরকে এই ভাবেই করলেন আরও 'আপন'। সেই দূর-সংযোগে যাতে কেউ আড়ি পাততে না পারে, তারও উপায় বাতলালেন বঙ্গতনয়া। ইলাহাবাদের হরিশচন্দ্র রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এইচসিআরআই)-এর পদার্থবিজ্ঞানের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর।
অত বিখ্যাত নন! আগে নোবেলজয়ীকে পাত্তাই দেয়নি উইকিপিডিয়া
লেসার রশ্মির 'আঙুল' আবিষ্কার করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। সদ্যই ২০১৮ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রাপক তিন জনের মধ্যে নাম ঘোষণা হয়েছে ডোনা স্ট্রিকল্যান্ডের। অথচ এই স্ট্রিকল্যান্ডকে মাত্র চার মাস আগেও একেবারেই গুরুত্ব দেয়নি উইকিপিডিয়া। আর নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর সেই সংস্থাই কার্যত প্রায়শ্চিত্ত করেছে। 'রিয়েল টাইম'-এ তৈরি হয়ে গিয়েছে ডোনা স্ট্রিকল্যান্ডের একটি আলাদা পেজ। এই তথ্য সামনে আসার পরই নেট দুনিয়ায় উইকিপিডিয়ার বিরুদ্ধে সমালোচনা ও ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপের ঝড় উঠেছে। পুরুষদের বেশি গুরুত্ব দেওয়ার মতো অভিযোগও হজম করতে হয়েছে অনলাইন তথ্যভাণ্ডার উইকিপিডিয়াকে।
বিগড়ে গেল ইনস্টাগ্রাম, ক্ষোভ আছড়ে পড়ল টুইটারে
তার মধ্যেই ঢিঢি পড়ে গেল চারদিকে। কিছু মানুষের জন্য যেন থমকে গেল পৃথিবীটা। বুধবার সকাল এই ঘণ্টা দেড়েকের জন্যই বিভ্রাট দেখা দেয় ইনস্টাগ্রামে। ছবি, ভিডিয়ো আপলোড হওয়া তো দূর, কিছুতেই রিফ্রেশ হচ্ছিল না ইনস্টাগ্রাম অ্যাপ। ডেস্কটপের ক্ষেত্রে ইনস্টাগ্রামের ওয়েবসাইটের অবস্থাও ছিল তথৈবচ। উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, সিঙ্গাপুর কোথাওই কাজ করছিল না জনপ্রিয়এই সোশ্যাল নেটওয়ার্কটি। ফলে ঘুম থেকে উঠে আবার ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত যাঁদের জীবনে ওতপ্রোত জড়িয়ে ইনস্টা, তাঁরা পড়ে যান ফ্যাঁসাদে।
এ বার বিবর্তনেও মানুষের নিয়ন্ত্রণ! রসায়নের নোবেলে তারই ইঙ্গিত
প্রকৃতির কাছ থেকে বিবর্তনের পাঠ নিয়ে প্রকৃতিকেই নিয়ন্ত্রণ! যার নিয়ম প্রকৃতির আগে জানা ছিল না! আমাদেরও বিস্তর ঘাম ঝরিয়ে খুঁজে নিতে হল। সেই 'দাদাগিরি'র উপায় বাতলিয়েই এ বছর রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন জন। ফ্রাঁসে এইচ আর্নল্ড, জর্জ পি স্মিথ ও স্যর গ্রেগরি পি উইন্টার। প্রথম দু'জন মার্কিন, তৃতীয় জন ব্রিটিশ। বুধবার 'দ্য রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস' ওই তিন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করেছে। নোবেল পুরস্কারের ১১৭ বছরের ইতিহাসে ফ্রাঁসেই চতুর্থ মহিলা, যিনি রসায়নে তাঁর গবেষণার এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন।
অর্ধশতাব্দী পর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল মহিলার, সঙ্গী আরও দুই
সায়েন্স ফিকশনের গল্পকে বাস্তবায়িত করেছেন তিন বিজ্ঞানী! এ বার শুধু আলো ফেলেই নড়ানো-চরানো যাবে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা ও কণিকাকে! লেসার রশ্মির 'আঙুল' দিয়ে এ বার ধরা যাবে খুব ছোট ছোট কণা, পরমাণু, ভাইরাস আর জীবন্ত কোষকে। তাদের নড়ানো, চরানো যাবে। অবাক করে দেওয়া সেই উপায় বাতলিয়ে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন এক মহিলা। পুরস্কার ভাগ করে নিলেন আরও দু'জন- আমেরিকার আর্থার অ্যাশকিন ও ফ্রান্সের জেরার্ড মুরোর সঙ্গে।
ক্যানসারে 'ব্রেক' কষে নোবেল জেমস অ্যালিসন এবং তাসুকু হঞ্জোর
ক্যানসারের মুখে শরীর যেন ব্রেক-ফেল করা গাড়ি। কী ভাবে তার ব্রেক কষা যায়, তারই উপায় বাতলে দিয়ে এ বছর চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন প্রবীণ দুই বিজ্ঞানী। আমেরিকার জেমস অ্যালিসন এবং জাপানের তাসুকু হঞ্জো। নোবেল কমিটির পক্ষ থেকে আজ সকালে ঘোষণা করা হয় দুই বিজ্ঞানীর নাম। তাঁদের গবেষণার বিষয় খানিক এ রকম-মানুষের শরীরের নিজস্ব রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে। শরীরে বাসা বাঁধার সঙ্গে সঙ্গে সেই 'ইমিউনো সিস্টেম'টাকেই সবার আগে আক্রমণ করে ক্যানসার। এই হামলা কী ভাবে আটকানো যায়, তার সন্ধান দিয়েছেন ওঁরা। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায়, 'ইমিউনো চেকপয়েন্ট থিয়োরি'।
কত দিন টিকবে আপনার সম্পর্ক, জানিয়ে দেবে যন্ত্র!
প্রেম বা সম্পর্কের মেয়াদ এ বার জানান দিয়ে দেবে যন্ত্র! যন্ত্র সংগ্রহ করবে মনের তথ্য, আর সেই তথ্য বিশ্লেষণ করা হবে বিশেষ একটি অ্যালগোরিদমের সাহায্যে। আদৌ প্রেম টিকবে কি না, বা টিকলেও ক'দিন, উত্তর দিয়ে দেবে এই যন্ত্র নির্ভর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ। সাম্প্রতিক গবেষণায় ইতিমধ্যেই নিখুঁত ভাবে মিলে গিয়েছে ৩৪ যুগলের ফলাফল, এমনটাই দাবি সাদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির এক দল গবেষকের। মানুষের আবেগের বহিঃপ্রকাশ এক এক জনের ক্ষেত্রে এক এক রকম।
ভারতীয়কে মহাকাশে নিয়ে যেতে চায় রাশিয়া
রাকেশ শর্মা গিয়েছিলেন ১৯৮৪ সালে। তিনিই প্রথম ও একমাত্র ভারতীয় নাগরিক যিনি মহাকাশে ঘুরে এসেছেন। রাকেশ গিয়েছিলেন রুশ যান 'সয়ুজ টি-১১'-তে চেপে। ভারত এ বার নিজেদের 'গগনযান'-এ মানুষ পাঠাতে চলেছে। ঘোষণা মোতাবেক, ২০২২-এ হওয়ার কথা সেই অভিযান। তার আগে আরও এক বার মহাকাশে পাড়ি দেওয়ার সুযোগ এল রাশিয়ার হাত ধরে। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, 'গগনযান' প্রকল্পকে সফল করতে পাশে দাঁড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। সে দেশের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আগামী বৃহস্পতিবার ভারতে আসছেন।
আমাজন, নেটফ্লিক্সকে চ্যালেঞ্জ জানাতে এই বছরেই ভিডিয়ো স্ট্রিমিং সার্ভিস আনছে ওয়ালমার্ট
খুব শীঘ্রই ভিডিয়ো স্ট্রিমিং সার্ভিসের বাজারে পা দিতে চলেছেওয়ালমার্ট। শোনা যাচ্ছে যে, ওয়ালমার্ট এই ভিডিয়ো স্ট্রিমিং সার্ভিসের সাবস্ক্রিপশন প্ল্যানের মাসিক কিস্তি রেখেছে ৮ ডলার, যা প্রায় ৫৮০ টাকা। যদি সত্যিই এই দামে পরিষেবা দেয় ওয়ালমার্ট, তা হলে বাজারে এলে এটি আমাজন এবং নেটফ্লিক্সকে কড়া টক্কর দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এর কারণআমাজন ও নেটফ্লিক্সের মাসিক কিস্তি ওয়ালমার্টের থেকে অনেকটাই বেশি। আমাজনের মাসিক কিস্তি ৮.৯৯ ডলার বা প্রায় সাড়ে ছ'শো টাকা। আর নেটফ্লিক্সের মাসিক কিস্তি ১০.৯৯ডলার, যা প্রায় আটশো টাকা।
মহাকাশের অজানা রহস্যে বুঁদ পড়ুয়ারা
মহাকাশযান ও উপগ্রহের মডেল নিয়ে মহাকাশের নানা অজানা তথ্য মেলে ধরলেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো-র বিজ্ঞানীরা। তিনদিনের এই বিজ্ঞান প্রদর্শনীটির আয়োজনে ছিল বসিরহাট হাইস্কুলের প্রাক্তনীদের 'অ্যালামনি অ্যাসোসিয়েশন'। বৃহস্পতিবার প্রদর্শনীটির উদ্বোধন হয়। অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন বিশিষ্ট মহাকাশবিজ্ঞানী জেপি যোশি, বিশিষ্ট শিক্ষক সুভাষ কুণ্ডু, অধ্যাপক শৈবাল রায়, ‌অমলেন্দু দত্ত প্রমুখ। জেলায় প্রথম এই ধরনের কোনও প্রদর্শনীর আয়োজন হল। স্বাভাবিক ভাবেই সেটি দেখতে বসিরহাট মহকুমার ৮০টি স্কুলের কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী এসেছিল।
সুনামির গ্রাসে যেতে পারে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গও!
সমুদ্রের গর্ভের একেবারে তলদেশে 'গ্র্যাভিটি ফল্ট' হলেই সুনামির জন্ম হয়। 'গ্র্যাভিটি' বা অভিকর্ষ বল সম্পর্কে আমাদের ধারণা রয়েছে। যে বলে পৃথিবী সব কিছুকে তার নিজের কেন্দ্রের দিকে টানছে। কিন্তু 'গ্র্যাভিটি ফল্ট' বলতে কী বোঝায়? শঙ্কর কুমার নাথ: জন্মলগ্ন থেকেই আমাদের গ্রহের পিঠ বা সারফেসে যেমন নিয়মিত রদবদল ঘটে চলেছে, ঠিক তেমনই সেই রদবদল ঘটে চলেছে পৃথিবীর অন্দরেও। এই গ্রহের পিঠ আর তার ভেতরটায় রয়েছে বিভিন্ন শিলাস্তর বা টেকটনিক প্লেট। সেই প্লেটগুলি কিন্তু থেমে নেই। সব সময় তারা একে অন্যকে ধাক্কা মারছে।
নোকিয়া ৫.১ প্লাস, সেরার তালিকায় ফিরছে নোকিয়া?
একদা সব থেকে বড় মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক কোম্পানি নোকিয়া স্মার্টফোনের প্রথম যুগে একেবারে হারিয়ে যায়। সেখান থেকে আবার ফিরে আসার প্রথম চেষ্টা ধাক্কা খায় উইন্ডোজ ফোন তৈরি করে। এ বার কি সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে চেষ্টা করছে নোকিয়া? ১ অক্টোবর, বাজারে আসতে চলেছে নোকিয়া ৫.১ প্লাস। মনে করা হচ্ছে এই দামের মধ্যে বাজারে উপস্থিত সমস্ত ফোনের সাথে টক্কর দিতে প্রস্তুতনোকিয়া। ১ অক্টোবর ই-কমার্স এবং নোকিয়ার নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে ক্রেতারা কিনতে পারবেন এই ফোনটি। এই ফোনের একটাই মডেল প্রকাশ পেতে চলছে, দু'রকম রঙে।
বিজ্ঞানে পঞ্চমুখী বঙ্গ মেধাকে কুর্নিশ ভাটনগরে
এক জন দূষিত গ্যাস কমানোর উপায় বার করেছেন। সেই দূষিত গ্যাস দিয়েই বিকল্প জ্বালানির সন্ধান দিচ্ছেন অন্য জন। এ বার দেশের বিজ্ঞানচর্চার সেরা পুরস্কার 'শান্তিস্বরূপ ভাটনগর' স্বীকৃতি দিল এই দুই বাঙালির গবেষণাকে। রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্বাধীনকুমার মণ্ডল, দু'জনেই কল্যাণীর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (আইআইএসইআর)-এ কেমিক্যাল সায়েন্সেসের শিক্ষক। শুধু এই দু'জন নয়, এ বছরের শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কারে বাংলারই জয়জয়কার। তালিকায় নাম রয়েছে আরও তিন বাঙালির।
গুগল টেজ থেকে গুগল পে, সুবিধাও বাড়ল বেশ কিছু
কিছু দিন আগেই গ্লোবাল সার্চ ইঞ্জিন গুগল তার পেমেন্ট অ্যাপ গুগল টেজ-এর নতুন নামকরণ করেছে। গুগল টেজ-এর নতুন নাম দেওয়া হয়েছে গুগল পে। গুগল টেজ অ্যাপটি ২০১৭-র সেপ্টেম্বরে প্রথম এই ডিজিটালের জগতে পা রেখেছিল। বর্তমানে এই অ্যাপটি শহরের ও গ্রামগঞ্জের বহু মানুষ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করছেন। যেমন মোবাইল রিচার্জ করা, ইলেক্ট্রিক বিল দেওয়া, বাসের টিকিট কাটা, রেস্তরাঁয় গিয়ে খাবারের বিল দেওয়া, ইত্যাদি। গুগল পে অ্যাপটির ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন ২০ লাখেরও বেশি। ব্যবহারকারীর সংখ্যা দেখে বোঝাই যায়, এই অ্যাপটির জনপ্রিয়তা কতটা।
বাতাসের বিষ থেকেই বিকল্প জ্বালানি! উপায় বাতলে ভাটনগর পেলেন দুই বাঙালি
বাতাসে বিষের বোঝা কমানোর রাস্তা দেখালেন। আর সেই বিষকেই বিকল্প জ্বালানির মতো আমাদের রোজকার জীবনে কাজে লাগানোর উপায় বাতলালেন। যা খুবই সস্তা, করাও যায় সহজে। ওই দুই কৃতিত্বের জন্য এ বছর রসায়নে ভাটনগর পুরস্কার জিতলেন দুই বঙ্গসন্তান। স্বাধীন মণ্ডল ও রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়। দু'জনেই মোহনপুরের 'ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ' (আইসার-কলকাতা)-এর ডিপার্টমেন্ট অফ কেমিক্যাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক। ভাটনগর পুরস্কারের গত ছয় দশকের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও প্রতিষ্ঠানের একই বিভাগের দুই অধ্যাপককে একই বছরে সম্মানিত করা হল।

Want to stay updated ?

x

Download our Android app and stay updated with the latest happenings!!!


90K+ people are using this